বুধবার, ৩০ নভেম্বর ২০২২, ০২:২২ অপরাহ্ন

মানবদেহে ভিটামিন ডি এর প্রভাব

রির্পোটারের নাম
  • খবর আপডেট সময় শুক্রবার, ৩১ ডিসেম্বর, ২০২১
  • ২৭২ এই পর্যন্ত দেখেছেন

চিকিৎসা বিজ্ঞানের মতে মানবদেহে ভিটামিন ডি এর বিশেষ গুরুত্ব রয়েছে। শিশুদের রিকেটস রোগ প্রতিরোধে ভিটামিন ডি এর গুরুত্ব অনেক।

চিকিৎসা বিজ্ঞান ও গবেষকদের মতে মানব দেহে ভিটামিন “ডি” এর ঘাটতি বিষণ্নতার জন্য দায়ী। গবেষকদের মতে ভিটামিন ডি মস্তিষ্কে অ্যাড্রেনালিন, নরঅ্যাড্রেনালিন, ডোপামিন নামক প্রাণরাসায়নিক নিঃসরণ প্রভাবিত করে এবং সেরোটোনিন ও ডোপামিন ক্ষয় যাওয়া রোধে কাজ করে। মেজাজ ঠিক রাখা, মস্তিষ্ককে ক্ষতিকর রাসায়নিকের প্রভাব থেকে রক্ষা, ব্যথা কমাতে ভিটামিন ডি এর ভূমিকা রয়েছে। ইনসুলিনের মাত্রা ঠিক রেখে ডায়াবেটিস চিকিৎসায় সাহায্য করে ভিটামিন ডি ।

চিকিৎসা বিদ্যায় গবেষকরা জানিয়েছেন, যে সকল শিশুর বেশি মাত্রায় অ্যালার্জির প্রবণতা রয়েছে, তাদের ডি ভিটামিনের ঘাটতি হাঁপানি, একজিমার প্রবণতা বাড়িয়ে দেয়।

গবেষকদের মতে গর্ভকালীন ভিটামিন ডি এর ঘাটতির কারণে শিশুর ওজন কম, নির্ধারিত সময়ের আগে প্রসব, অকালীন প্রসব, গর্ভকালীন সংক্রমণ, ব্যাকটেরিয়াল ভ্যাজাইনোসিস, প্রি-একলাম্পশিয়ার সৃষ্টি এবং গর্ভকালীন ডায়াবেটিসের ঝুঁকি দেখা দিতে পারে।

বিশেষজ্ঞদের মতে ভিটামিন ডি বহুল আলোচিত। কারণ হাড় গঠন ও হাড়ের স্বাস্থ্য রক্ষায় এর ভূমিকা অনেক। এর ঘাটতি হলে হাড় ভঙ্গুর, হালকা, নড়বড়ে হয়ে যায়। হাড়ের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ উপাদান ক্যালসিয়াম ও ফসফরাস। ভিটামিন ডি ক্যালসিয়াম ও ফসফরাস শোষণ ও সংরক্ষণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।

সূর্যের আলো থেকে শরীরে ভিটামিন ডি তৈরি হয়। সামুদ্রিক মাছ যেমন টুনা, সার্ডিন ডিমের কুসুম ও মাশরুম ইত্যাদি ডি ভিটামিনের ভালো উৎস।

রিকেটস প্রতিরোধে ভিটামিন ডি এর ব্যবহার একটি নির্ভরযোগ্য পদ্ধতি। তবে অ-কঙ্কাল স্বাস্থ্যের উপর ভিটামিন ডি সম্পূরকের প্রভাব অনিশ্চিত। ভিটামিন ডি এর সম্পূরকগুলো মায়োকার্ডিয়াল ইনফার্কশন, স্ট্রোক বা সেরিব্রোভাস্কুলার রোগ, ক্যান্সার, হাড় ভেঙে যাওয়া বা হাঁটুর অস্টিওআর্থারাইটিসের চিকিৎসায় ব্যবহার করা যায় না। ভিটামিন ডি-এর মাত্রা কমে গেলে তা রোগের কারণ না হয়ে রোগের সৃষ্টি হতে পারে।

ইউনাইটেড স্টেটস ইনস্টিটিউট অফ মেডিসিনের (আইওএম) এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে: “ক্যান্সার, কার্ডিওভাসকুলার রোগ, উচ্চ রক্তচাপ, ডায়াবেটিস, বিপাকীয় সিন্ড্রোম, শারীরিক কর্মক্ষমতা, ইমিউন কার্যকারিতা, অটোইমিউন রোগ, সংক্রমণ, নিউরোসাইকোলজিক্যাল কার্যকারিতা এবং প্রিএক্লাম্পসিয়ার সাথে ক্যালসিয়াম বা ভিটামিন ডি গ্রহণের সম্পর্ক সরাসরি যুক্ত করা যায় না।বর্তমানে বড় আকারের ক্লিনিকাল পরীক্ষা সহ ভিটামিন ডি এর সম্পূরকগুলির উপর গবেষণা অব্যাহত রয়েছে।
শিশুদের রিকেটস রোগসহ ভিটামিন ডি এর অভাব জনিত কারনে নানা জটিল রোগের সু চিকিৎসা হোমিওপ্যাথিতে রয়েছে। বিজ্ঞ হোমিও ডাক্তারের চিকিৎসা নিলে ভিটামিন ডি এর অভাব জনিত সকল রোগ আরোগ্য হবে ইনশাআল্লাহ।
নবীন হোমিও চিকিৎসকদের কল্যানে বিষয়টি প্রচার করা হলো।

Dr.Nishat Tasnim Bristy
DHMS,BHB(Dhaka)
BHMS,Dhaka University (Runing)
BBA(Hon’s)Du

দয়া করে খবরটি শেয়ার করুর

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই ক্যাটাগরিতে আরো যেসব খবর রয়েছে
© কপিরাইট ২০১৭ গণজয়
CodeXive Software Inc.
themesba-lates1749691102