January 28, 2021, 8:15 am
প্রধান শিরোনাম :
অর্থ সংকট ॥ মৃত্যুর সাথে পাঞ্জা লড়ছে অগ্নিদগ্ধ মাতৃহীন শিশু জান্নাত বকশীগঞ্জে লটারিতে জিতেও ১১ ছাত্রী স্কুলে ভর্তির সুযোগ পাননি বকশীগঞ্জে আলো সেচ্ছাসেবী রক্তদান সংগঠনের প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী পালিত  ইসলামপুরে অগ্নিকাণ্ডে ক্ষতিগ্রস্ত ভিক্ষুক পরিবারের খোঁজ নিলেন ইউএনও  জুমানের নেতৃত্বে সাবেক ছাত্রনেতাদের উপস্থিতিতে বিজয়ের জন্মদিন পালিত  ফার্মা এন্ড ফার্ম আবুল কালাম আজাদের স্বপ্ন পুরণে কাজন করছে কবিরাজের ঝাড়ঁফুকঁ ছাড়া বিরল রোগে আক্রান্ত খাদিজার ভাগ্যে ২০ বছরেও চিকিৎসা জুটেনি বিপ্লব আওয়ামীলীগের বন ও পরিবেশ উপ-কমিটি’র সদস্য মনোনীত সময় টিভির স্টাফ রিপোর্টার ও ক্যামেরা পার্সন হামলার শিকার সাংবাদিক খাদেমুল হক বাবুল মোটরসাইকেল দুর্ঘটনায় গুরুতর আহত 

৯ ডিসেম্বর শেরপুরের ঐতিহাসিক নকলা হানাদার মুক্ত দিবস

রির্পোটারের নাম
  • খবর আপডেট সময় Wednesday, December 9, 2020
  • 80 এই পর্যন্ত দেখেছেন
 প্রতিনিধি :মুহাম্মদ আবু হেলাল
তারিখ : ৯ ডিসেম্বর ২০২০
শেরপুর : আজ ৯ ডিসেম্বর শেরপুরের নকলা পাকিস্তানি হানাদারমুক্ত দিবস। ১৯৭১ সালের এই দিনে এদেশের মুক্তিযোদ্ধারা ভারতীয় মিত্র বাহিনী, সহযোগিতায় সশস্ত্র রক্তক্ষয়ীলড়াইয়ের মধ্য দিয়ে সীমান্ত জেলা শেরপুরের

নকলা উপজেলাকে পাকিস্তানি হানাদারমুক্ত করেছিলেন।
পাকিস্তানি বাহিনীকে বিতারিত করে যুদ্ধকালীন ১১নং সেক্টরের আওতায় থাকা নকলা অঞ্চলকে হানাদার মুক্ত করে বিজয়ের পতাকা উড়ান তাঁরা।
তথ্য মতে, মুক্তি যুদ্ধকালীন সময়ে ১১নং সেক্টরের তথা ব্র‏হ্মপুত্র নদের উত্তরে পাকবাহিনীর হেড কোয়াটার আহম্মদ আলী উচ্চ
বিদ্যালয়ের দায়িত্বে ছিলেন মেজর রিয়াজ।অন্যদিকে মুক্তিবাহিনীর গুরুদায়িত্বে ছিলেন এম. হামিদুল্লাহ এবং ল্যাফটেনেন্ট কর্নেল আবু তাহের।
হানাদার বাহিনীর মূল টার্গেটে থাকা নকলাতে ঘরবাড়ি পুড়িয়ে গৃহহীন করেছিল হাজার হাজার মানুষকে। হত্যা করেছিল শত শত মুক্তিকামী যুবকদের। শহীদ হয়েছিলেন ১৯ জন বীর মুক্তিযোদ্ধা। তবুও মিত্রবাহিনীর সহযোগিতায় বানাজিৎ শিং ত্যাগী ও ব্রিগেডিয়ার সানাতন শিং এর উদ্যোগে এবং কোম্পানী কমান্ডার আব্দুল হক চৌধুরীর নেতৃত্বে টু-আইসি আব্দুর রশিদ ও সিকিউরিটি কর্মকর্তা একলিম শাহ্সহ ৩ শতাধিক মুক্তিযোদ্ধা সম্মুখ যুদ্ধে অংশ নেন। হানাদাররা পিছু হটলেও ১৩০ জন এদেশীয় দূসর ,তথা বদররা  মুক্তিযোদ্ধাদের হাতে বন্দি হয়। পরের দিন ১১৭ জন রাজাকার,বদর ১১০ টি অস্ত্রসহ কোম্পানী কমান্ডারের কাছে আত্মসমর্পন করে। সকাল ১১ টায়, নকলা পাইলট উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে (বর্তমানে সরকারি) আনুষ্ঠানিকভাবে স্বাধীন বাংলার মানচিত্র খচিত পতাকা উত্তোলণ করা হয়। ওই সময় মিত্রবাহিনীর মেজর বানাজিৎ শিং ত্যাগী, ল্যাফটেনেন্ট কর্নেল আবু তাহের, কোম্পানী কমান্ডার আব্দুল হক চৌধুরী ও গিয়াস উদ্দিন, ইপিআর ওয়্যার্লেস অপারেটর ফরহাদ হোসেন, নকলা, নালিতাবাড়ী  ও শেরপুরের প্লাটুন কমান্ডার যথাক্রমে নূরুল ইসলাম হিরু, জমির উদ্দিন ও এবি সিদ্দিক; কোয়ার্টার মাষ্টার
জুলহাস উদ্দিন ফকির এবং মুক্তিযোদ্ধের গোয়েন্দা বিভাগের আবুল হাশেম ও অন্যান্য মুক্তিযোদ্ধা সহ হাজারো মুক্তি কামী সাধারন জনগনের ঢল নামে। ৯ ডিসেম্বর শেরপুরের ঐতিহাসিক নকলা হানাদার মুক্ত দিবস
দিবসটির স্মরণে উপজেলা প্রশাসন,নকলা মুক্তিযোদ্ধা সংসদ, আমরা মুক্তি যোদ্ধার সন্তান, বীর মুক্তিযোদ্ধা ,আবদুর রাজ্জাক কমান্ডার স্মৃতি সংসদসহ ,
বিভিন্ন সংগঠন  ও প্রতিষ্ঠানের উদ্যোগে বিভিন্ন কর্মসূচী ঘোষনা করা হয়েছে। ৯ ডিসেম্বর শেরপুরের ঐতিহাসিক নকলা হানাদার মুক্ত দিবস । হেলাল

দয়া করে খবরটি শেয়ার করুর

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই ক্যাটাগরিতে আরো যেসব খবর রয়েছে
© কপিরাইট ২০১৭ গণজয়
CodeXive Software Inc.
themesba-lates1749691102