January 28, 2021, 8:51 am
প্রধান শিরোনাম :
অর্থ সংকট ॥ মৃত্যুর সাথে পাঞ্জা লড়ছে অগ্নিদগ্ধ মাতৃহীন শিশু জান্নাত বকশীগঞ্জে লটারিতে জিতেও ১১ ছাত্রী স্কুলে ভর্তির সুযোগ পাননি বকশীগঞ্জে আলো সেচ্ছাসেবী রক্তদান সংগঠনের প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী পালিত  ইসলামপুরে অগ্নিকাণ্ডে ক্ষতিগ্রস্ত ভিক্ষুক পরিবারের খোঁজ নিলেন ইউএনও  জুমানের নেতৃত্বে সাবেক ছাত্রনেতাদের উপস্থিতিতে বিজয়ের জন্মদিন পালিত  ফার্মা এন্ড ফার্ম আবুল কালাম আজাদের স্বপ্ন পুরণে কাজন করছে কবিরাজের ঝাড়ঁফুকঁ ছাড়া বিরল রোগে আক্রান্ত খাদিজার ভাগ্যে ২০ বছরেও চিকিৎসা জুটেনি বিপ্লব আওয়ামীলীগের বন ও পরিবেশ উপ-কমিটি’র সদস্য মনোনীত সময় টিভির স্টাফ রিপোর্টার ও ক্যামেরা পার্সন হামলার শিকার সাংবাদিক খাদেমুল হক বাবুল মোটরসাইকেল দুর্ঘটনায় গুরুতর আহত 

আজ বকশীগঞ্জ মুক্ত দিবস

রির্পোটারের নাম
  • খবর আপডেট সময় Saturday, December 5, 2020
  • 162 এই পর্যন্ত দেখেছেন

এম.শাহীন আল আমীন ।।  আজ ৬ ডিসেম্বর বকশীগঞ্জ মুক্ত দিবস। ১৯৭১ সালের ঐতিহাসিক এই দিনে পাকহানাদার মুক্ত হয় মহান মুক্তিযুদ্ধের ১১ নম্বর সেক্টরের কামালপুর রণাঙ্গন।

এর পর ৬ ডিসেম্বর মুক্ত হয় বকশীগঞ্জ উপজেলা।

বকশীগঞ্জ মুক্ত হওয়ার মধ্য দিয়ে সূচিত হয় জামালপুর, ময়মনসিংহ ও টাঙ্গাইল তথা ঢাকা মুক্ত হওয়ার পথ।

জানা যায়,১৯৭১ সালের ঐতিহাসিক মুক্তিযুদ্ধের ১১ নং সেক্টরের গুরুত্বপূর্ণ স্থান বকশীগঞ্জ উপজেলার ধানুয়া কামালপুর রণাঙ্গন। এই সেক্টরের সদর দপ্তর ছিল ভারতের মহেন্দ্রগঞ্জে ।

১ম ইস্ট বেঙ্গল রেজিমেন্টের অধীনে থাকা ১১ নম্বর সেক্টরের সেক্টর কমান্ডারের দায়িত্ব পালন করেন মুক্তিযুদ্ধের অন্যতম বীর সেনানী কর্নেল আবু তাহের বীর উত্তম।

মুক্তিবাহিনী ও ভারতীয় মিত্র বাহিনীর রাজধানী ঢাকা দখলের সহজ ও একমাত্র পথ ছিল এটি।

কামালপুর দখল হলেই ঢাকা দখল সহজ হয়ে যাবে এ কারনে পাক হানাদার বাহিনি ধানুয়া কামালপুরে শক্তিশালী ঘাঁটি গড়ে তুলে ছিলো।

পাকসেনাদের এই শক্তিশালী ঘাটির পতন ঘটানোর লক্ষ্যে কর্নেল আবু তাহেরের নেতৃতে ১২ জুন থেকে ১৩ নভেম্বর পর্যন্ত মুক্তিযোদ্ধাদের সাথে হানাদার পাকসেনাদের দফায় দফায় সম্মুখ যুদ্ধ হয়।

সব চেয়ে বড় সম্মুখ যুদ্ধ হয় ৩১ জুলাই রাতে। সম্মুখ যুদ্ধে ক্যাপ্টেন সালাহ উদ্দিনসহ ১৯৪ জন মুক্তিযুদ্ধা শহীদ ও শত্রু পক্ষের একজন মেজরসহ ৪শ ৯৭ জন নিহত হয়।

এই যুদ্ধে পাকসেনাদের একটি মর্টার শেলের আঘাতে সেক্টর কমান্ডার কর্নেল আবু তাহের গুরুতর আহত হন এবং ১টি পা হারান।

৩ ডিসেম্বর মুক্তিবাহিনি হানাদার বাহিনির কামালপুর বিওপিতে আঘাত হানে।

মাত্রাতিরিক্ত আর্টিলারি গোলা বর্ষণ করেও তেমন কোন ক্ষতি করা সম্ভব হয়নি।

এর পর বিমান হামলার মাধ্যমে পাকিস্থান সেনা বাহিনির বিওপি ধ্বংস করার সিদ্ধান্ত হয়। শুরু হয় বিমান আক্রমণ।

প্রতিটি মিশনের পর মেজর জেনারেল গিল পাক বিওপি কমান্ডার ক্যাপ্টেন আহসান কে আত্বসর্মপণ করার জন্য একটি করে চিঠি পাঠান।

মৃত্যু নিশ্চিত জেনেও ৪ ডিসেম্বর শত্রু সেনা বিওপিতে প্রথম চিঠি নিয়ে যান বীর মুক্তিযোদ্ধা বশীর আহমদ বীর প্রতীক।

চিঠিতে লেখা ছিল তোমাদের চারদিকে যৌথবাহিনী ঘেরাও করে রেখেছে। বাচঁতে চাইলে আত্মসর্মপণ কর, তা না হলে মৃত্যু অবধারিত।

এই চিঠি পেয়ে অগ্নিমূর্তি ধারন করে পাকসেনা কমান্ডার আহসান মালিক।

বশিরের ফিরতে বিলম্ব হওয়ায় আরেকটি চিঠি দিয়ে বীর মুক্তিযোদ্ধা সঞ্জুকে পাঠানো হয় পাকসেনা ক্যাম্পে।

চিঠির জবাব না পাওয়ায় শুরু হয় চুড়ান্ত বিমান হামলা।

অবস্থা বেগতিক দেখে অস্ত্রসহ পাক বাহিনির কামালপুর ক্যাম্পের গ্যারিসন কমান্ডার আহসান মালিকসহ ১৬২ জনের একটি দল আনুষ্ঠানিকভাবে আত্বসমর্পন করতে বাধ্য হয়।

হানাদার মুক্ত হয় কামালপুর রণাঙ্গণ।

মুক্তিযোদ্ধারা প্রথম বাংলাদেশের জাতীয় পতাকা উত্তোলন করেন কামালপুর মাঠে।

এরপর থেকে ৬ ডিসেম্বর মুক্ত হয় বকশীগঞ্জ। আজ ৬ ডিসেম্বর বকশীগঞ্জ মুক্ত দিবস।

দয়া করে খবরটি শেয়ার করুর

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই ক্যাটাগরিতে আরো যেসব খবর রয়েছে
© কপিরাইট ২০১৭ গণজয়
CodeXive Software Inc.
themesba-lates1749691102