January 21, 2021, 4:41 pm
প্রধান শিরোনাম :
ইসলামপুরে অগ্নিকাণ্ডে ক্ষতিগ্রস্ত ভিক্ষুক পরিবারের খোঁজ নিলেন ইউএনও  জুমানের নেতৃত্বে সাবেক ছাত্রনেতাদের উপস্থিতিতে বিজয়ের জন্মদিন পালিত  ফার্মা এন্ড ফার্ম আবুল কালাম আজাদের স্বপ্ন পুরণে কাজন করছে কবিরাজের ঝাড়ঁফুকঁ ছাড়া বিরল রোগে আক্রান্ত খাদিজার ভাগ্যে ২০ বছরেও চিকিৎসা জুটেনি বিপ্লব আওয়ামীলীগের বন ও পরিবেশ উপ-কমিটি’র সদস্য মনোনীত সময় টিভির স্টাফ রিপোর্টার ও ক্যামেরা পার্সন হামলার শিকার সাংবাদিক খাদেমুল হক বাবুল মোটরসাইকেল দুর্ঘটনায় গুরুতর আহত  বকশীগঞ্জে মায়ের সাথে আশালিন আচারণ করায় ছেলের কারাদন্ড শাস্ত্রীয় সংগীত শিল্পী নিশাত আরজু বকশীগঞ্জে ডিজিটাল দিবস পালিত

গণতন্ত্র কি মুক্তি পেয়েছে, প্রশ্ন জি এম কাদেরের

প্রথম আলো
  • খবর আপডেট সময় Wednesday, November 4, 2020
  • 123 এই পর্যন্ত দেখেছেন

যে আশা নিয়ে নূর হোসেন আত্মদান করেছেন, সেই প্রত্যাশা পূরণ হয়নি বলে মন্তব্য করেছেন জাতীয় পার্টির (জাপা) চেয়ারম্যান জি এম কাদের। তিনি বলেছেন, ‘গণতন্ত্র কি মুক্তি পেয়েছে?’

জাতীয় পার্টির বনানীর কার্যালয়ে আজ মঙ্গলবার দুপুরে এক আলোচনা সভায় সভাপতির বক্তব্যে জি এম কাদের এ কথা বলেন। শহীদ নূর হোসেন দিবসকে জাতীয় পার্টি ‘গণতন্ত্র দিবস’ হিসেবে পালন করে। এ উপলক্ষে দলটি আলোচনা সভার আয়োজন করে।

জাপার চেয়ারম্যান ও জাতীয় সংসদে বিরোধীদলীয় উপনেতা জি এম কাদের শহীদ নূর হোসেনের আত্মার প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে বলেন, নূর হোসেন হয়তো চেয়েছিলেন হুসেইন মুহম্মদ এরশাদের শাসনামলের গণতন্ত্রের চেয়ে আরও ভালো গণতন্ত্র পাবে দেশ। এই আশায় বুকে ও পিঠে লিখেছিলেন ‘স্বৈরতন্ত্র নিপাত যাক, গণতন্ত্র মুক্তি পাক’। কিন্তু গণতন্ত্র কি মুক্তি পেয়েছে?

জি এম কাদের বলেন, তিন জোটের রূপরেখা অনুযায়ী হুসেইন মুহম্মদ এরশাদ রাষ্ট্রক্ষমতা হস্তান্তর করেন। ১৯৯১ সালের নির্বাচনের পর তিন জোটের রূপরেখা অনুযায়ী রাষ্ট্রপতি শাসিত সরকারপদ্ধতি পরিবর্তন করে সংসদীয় পদ্ধতি প্রবর্তন করা হয়। কিন্তু সংবিধানের ৭০ ধারা সংসদীয় পদ্ধতির মূল স্বাদ নষ্ট করেছে।

জাপার চেয়ারম্যান বলেন, সংবিধানের ৭০ ধারা অনুযায়ী সরকারদলীয় সদস্যরা সরকারি দলের বাইরে কোনো সিদ্ধান্ত নিতে পারেন না। এতে সংখ্যাগরিষ্ঠতা পেয়ে যে দল সরকার গঠন করে, সেই দলের প্রধানই সংসদীয় দলের নেতা ও সরকারপ্রধান হন। সরকারপ্রধান যে সিদ্ধান্ত নেন, সেটাই বাস্তবায়িত হয়। এতে একনায়কতন্ত্র প্রতিষ্ঠা হয়। এতে ‘স্বৈরতন্ত্র নিপাত যাক’ না হয়ে ‘স্বৈরতন্ত্র মুক্তি পাক ও গণতন্ত্র নিপাত যাক’ হয়ে দাঁড়িয়েছে কি না, এমন প্রশ্ন জাগছে।


সাবেক মন্ত্রী জি এম কাদের বলেন, সংসদীয় গণতন্ত্রের প্রকৃত স্বাদ পেতে হলে সংবিধান থেকে ৭০ ধারা তুলে দিতে হবে। সংসদীয় পদ্ধতিতে সংসদের কাছে সরকার ও সরকারপ্রধানের জবাবদিহি নিশ্চিত হয়। সরকারকে নিয়ন্ত্রণ করে সংসদ। কিন্তু ৭০ ধারার কারণে উল্টো হয়েছে, সরকারই সংসদকে নিয়ন্ত্রণ করছে।


নির্বাচন প্রসঙ্গে জাপার চেয়ারম্যান বলেন, সুষ্ঠু নির্বাচন হলে বাংলাদেশের মানুষ কখনো ভুল করেন না। দেশের মানুষ কখনো ভুল মানুষকে নির্বাচিত করেননি। প্রকৃত গণতন্ত্র নিশ্চিত হলে রাষ্ট্রের সব স্তরে জবাবদিহি নিশ্চিত হবে। জবাবদিহি নিশ্চিত হলে দেশে সুশাসন নিশ্চিত হবে, যাতে সামাজিক ন্যায়বিচার ও আইনের শাসন সুপ্রতিষ্ঠিত হবে।


জাতীয় পার্টির মহাসচিব জিয়াউদ্দিন আহমেদ বাবলু বলেন, গণতন্ত্র আজ সোনার হরিণ, গণতন্ত্র আজ খাঁচায় বন্দী। জাতীয় পার্টিই পারবে প্রকৃত গণতন্ত্র ফিরিয়ে দিতে।
সভায় আরও বক্তব্য দেন জাতীয় পার্টির কো-চেয়ারম্যান এ বি এম রুহুল আমিন হাওলাদার, সৈয়দ আবু হোসেন, প্রেসিডিয়াম সদস্য এস এম ফয়সল চিশতী, মীর আবদুস সবুর, এ টি ইউ তাজ রহমান, শামীম হায়দার পাটোয়ারী, রেজাউল ইসলাম ভূঁইয়া প্রমুখ।

দয়া করে খবরটি শেয়ার করুর

One thought on "গণতন্ত্র কি মুক্তি পেয়েছে, প্রশ্ন জি এম কাদেরের"

  1. Hi, this is a comment.
    To get started with moderating, editing, and deleting comments, please visit the Comments screen in the dashboard.
    Commenter avatars come from Gravatar.

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই ক্যাটাগরিতে আরো যেসব খবর রয়েছে
© কপিরাইট ২০১৭ গণজয়
CodeXive Software Inc.
themesba-lates1749691102